শ্রদ্ধা নিবেদন সভা- প্রয়াত চলচ্চিত্রকার ও কথাশিল্পী তারেক শাহরিয়ারের জীবন ও চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা:
ব্যক্তি ও নির্মাতা ‘তারেক শাহরিয়ার’


তারেক শাহরিয়ার আমাদের ৯০ দশকের চলচ্চিত্র অঙ্গনে আন্দোলন—পৃষ্ঠপোষকতা—নির্মাণ—উৎসব—প্রকাশনা—লেখালেখি—সংগঠন—উদ্যোগ সব ভালোর সাথেই জড়িত ছিলেন। প্রামাণ্যচিত্র ‘কালিঘর’ নির্মাতা হিসেবে তাকে পরিচিতি দেয়। তিনি বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি করেছেন। বাংলাদেশে ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনের সক্রিয় নেতা ছিলেন। বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবের তিনি উৎসব পরিচালক ছিলেন। তাঁর বেশ কয়েকটি ছোট গল্পের বই প্রকাশিত হয়েছে। শেষ প্রকাশনা তার মৃত্যুর পর ‘পাপ কিংবা সম্ভাবনা’। সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের হলকা দেখিয়েই কী অভিমানে যেন তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। আমরা হারালাম আরেকজন বিবেকবান—সৎ শিল্পীকে।
এশীয় শিল্প সংস্কৃতি সভার বিভিন্ন আয়োজনের সাখে তারেক শাহরিয়ার জড়িত ছিলেন। ছিলেন সবার খুব আপনজন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রয়াত এই নির্মাতা ও কথাশিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে ‘তারেক শাহরিয়ারের জীবন ও চলচ্চিত্র’ শিরোনামের এই শ্যদ্ধা নিবেদন সভায় চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন ও নির্মাণের সাথে জড়িত এবং বিবেকবান চলচ্চিত্র দর্শক ও তার ভক্তদের অনেকেই অংশ নিয়েছিলেন।
সভা শেষে তারেক শাহরিয়ারের শিশু শ্রমের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘কালিঘর’ প্রদর্শিত হয়।

জুন ১৫, ২০০৩